ভোলার লালমোহন উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো. ফিরোজ (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ফিরোজ উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারের দোকান সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মো. কাশেম আলীর ছেলে এবং কালমা ইউনিয়ন (উত্তর) যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার ঢাকা পোস্টকে জানান, এ ঘটনায় প্রতিবেশী মো. কাজল নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। থানায় মামলা হলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে এবং তদন্ত চলছে।

ঘটনার বিবরণ অনুসারে, গত বৃহস্পতিবার ফিরোজ তার নিজস্ব জমিতে শিমগাছের চারা রোপণ ও ঝোঁপ দেন। পরদিন শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজের পর তার বাড়ির পাশের ঝোঁপটি অভিযুক্ত কাজলের স্ত্রী জান্নাত কেটে ফেলেন। ফিরোজ দেখতে পেলে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে জান্নাতের স্বামী কাজল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফিরোজকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।

ফিরোজকে প্রথমে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হৎ। পরে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে স্বজনরা তাকে ঢাকায় নিয়ে যান। শনিবার বিকেলে ঢাকা ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফিরোজ। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

এদিকে, ইত্তেফাকের প্রতিবেদনেও একই ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইত্তেফাকের ভাষ্যমতে, শরীয়তপুরের নড়িয়ায় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে দলটির সহযোগী সংগঠনের চার নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তবে এই ঘটনায় কোনো থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানিয়েছেন পুলিশ। ফলে দুটি ঘটনা ভিন্ন স্থান ও ভিন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে ঘটেছে এবং তাদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি ভোলা জেলার লালমোহন থানা এলাকায় ঘটেছে এবং পুলিশ অভিযুক্ত কাজলকে আটক করেছে। নিহতের পরিবারের দাবি অনুসারে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে জানা গেছে।