প্রথম আলো অনুসারে, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতা (রিয়াজুল আলম ওরফে শাহীন, ৩০) পুলিশের হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার পর, পুলিশ সরিষা ও আশ্রবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের মধ্যে রয়েছে সরিষা ইউনিয়নের বিএনপি ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ মিলন (৫০) এবং সাবেক ছাত্রলীগের উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন মণ্ডল (২৮)।
ঘটনার পর, ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ রোমন জানান, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজের বাধা এবং হেফাজতে থাকা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; তারা হলেন ঈশ্বরগঞ্জের বৈরাটি গ্রামের মো. ওয়াসীম মিয়া (২৬) এবং সরিষা (গাংপাড়) এলাকার মো. এমদাদুল হক (৪৫)। তবে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের তথ্যের সঙ্গে তুলনা করলে, ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে মোট চারজন গ্রেপ্তার হওয়ার উল্লেখ আছে, যেখানে প্রথম আলো ও অন্যান্য সূত্রে তিনজনের উল্লেখ করা হয়েছে। এই পার্থক্যটি সংশ্লিষ্ট সূত্রের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রধান ঘটনার পটভূমি হিসেবে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে সরিষা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের কাছে পুলিশের ওপর হামলা হয় এবং তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হন। একই সময়ে, পুলিশ ব্যবহার করা সিএনজি চালিত অটো রিকশা ভাঙচুর করা হয়। রিয়াজুল আলমকে রায়বাজার পুলিশ তদন্তকেন্দ্র ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা-পুলিশের দল আটক করে, তবে হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার পথে আবার হামলার শিকার হয়ে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
রিয়াজুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে আসামি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হয় এবং পরে কারাগারে পাঠানো হয়।





