বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দল ৫ নভেম্বর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি শুরু করেছে। ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০০৩ সালে একবারই দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে শিরোপা জিতেছিল, এবং দুই দশক পর আবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

কোচ টমাস ডুলি ক্যাম্পের প্রথম দিনেই প্রশ্নের মুখে পড়েন। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক খেলোয়াড় যদি নিজের সেরাটা মাঠে দিতে পারে, তাহলে আমি বিশ্বাস করি আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারব। আমি সত্যিই এ ব্যাপারে আশাবাদী। আমাদের খেলোয়াড়দের ওপর আমার বিশ্বাস আছে।’

ডুলি আরও উল্লেখ করেন যে, হামজা, সামিত, ফারহান ও সুকিরা যোগদানের ফলে দলের শক্তি বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘ভারত শক্তিশালী দল প্রেরণ করছে না। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের শিরোপার সম্ভাবনা দেখছেন ফুটবলপ্রেমীরা।’

কোচ খেলোয়াড়দের মানসিক চাপ ও সামাজিক মিডিয়ার নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ‘কিছু খেলোয়াড়ের মনে আবার ফেসবুকে তাদের নিয়ে লেখা নেতিবাচক মন্তব্য ও সমালোচনার কথাও ঘুরতে থাকে। তারা ভাবে, মানুষ তাদের ঘৃণা করছে। আপনিও যদি এমন পরিস্থিতিতে থাকেন, তাহলে আপনার পক্ষে শতভাগ মনোযোগ দিয়ে কাজ করা কঠিন হবে।’

ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী, ডুলি ২৮ জন খেলোয়াড়ের নাম জমা দিয়েছেন, যার মধ্যে নতুন মুখ মাহি খান ও রোনান। তিনি বলেন, ‘আমরা একজন প্রকৃত নম্বর নাইন বা সেন্টার ফরোয়ার্ড খুঁজছি। আমাদের সেই ধরনের স্ট্রাইকারের অভাব রয়েছে।’

প্রথম আলো অনুযায়ী, হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে (৫ নভেম্বর) অংশগ্রহণ করতে পারবেন না এবং ৯ নভেম্বর পর্যন্ত টুর্নামেন্টে যোগ দিতে পারবেন না। তারা ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দলের সাথে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাসস অনুযায়ী, বাংলাদেশ U‑15 দল ফিফা অনূর্ধ্ব‑১৫ বিশ্বকাপে পর্তুগালের সাথে ৩‑১ হেরেছে, যেখানে দুটি গোল আত্মঘাতি গোল ছিল।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশকে এখনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে, কিন্তু টমাস ডুলি আশাবাদ প্রকাশ করেছেন যে, ‘আমরা সত্যিই সাফ চ্যাম্পিয়ন হতে পারব। আমি প্রায় নিশ্চিত যে আমরা সেটা করতে পারি।’