সমকালের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আদাবর‑১৩ নম্বর সড়কের শেষ মাথায় ইয়ার উদ্দিন খলিফা ফ্যাশনের সামনে যুবদল সদস্য আব্দুল আহাদ মুন্না (আদাবর থানার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড) চাপাতি দিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

মুন্না বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রথমে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানান, হামলাকারী রিপন (বাচ্চা রিপন) ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

হামলার পটভূমি

সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, যুবদলের দুই সদস্যের মধ্যে নিরাপত্তা কর্মীদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন এবং ১৩ নম্বর সড়কের একটি খালি কক্ষকে যুবদল কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করার বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল। উভয়ই আদাবর থানা যুবদলের সদস্য এবং সজীব আহম্মেদ রানা (বিএনপি রাজনীতিবিদ) এর অনুসারী। সজীব বর্তমানে আদাবর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীরূপে কাজ করছেন।

অন্যান্য মিডিয়ার একই দিনে রিপোর্ট

চ্যানেল ২৪ এবং বাসস একই তারিখে (২৭ অক্টোবর ২০২৬) টাস্কফোর্সের জরিমানা অভিযানের খবর প্রকাশ করেছে। চ্যানেল ২৪ অনুসারে, ফরিদপুরের সদরপুরে বিএসটিআই, জেলা প্রশাসন ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের যৌথ টাস্কফোর্স মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাসসের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশজুড়ে বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়ে ১০৩টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। এই দুটি প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু সমকালের যুবদল হামলার সঙ্গে ভিন্ন, যা একই দিনে বিভিন্ন নিরাপত্তা ও শাসন সংক্রান্ত ঘটনা প্রকাশের উদাহরণ।

উল্লেখ্য, উল্লিখিত তথ্যগুলোকে যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।