প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি লেখায় কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির একজন ছাত্রী হ্যারি পটার সিরিজ পড়ার নিজস্ব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বইমেলা থেকে পিতার হাতে হ্যারি পটারের বইগুলো পাওয়ার পর তিনি জে. কে. রোলিং-এর গদ্যশৈলীতে মুগ্ধ হয়ে 'পটারহেড' হয়ে ওঠেন।
তবে স্কুলে বন্ধুরা এবং শিক্ষকরা তাঁকে 'হ্যারি পটার' না বলে 'হাঁড়ি পটার' উপনাম দিয়ে চিড়িয়ে থাকেন। একদিন ক্লাসরুমে একজন শিক্ষকও তাঁকে 'হাঁড়ি পটার' বলে ডাকলেন। এরপর থেকে সহপাঠীরা প্রতিদিন 'হাঁড়ি পটার দাদা' বলে ডাকা শুরু করেন।
রংপুরে একটি স্পোকেন ইংরেজি কোর্স করার সময় মেন্টর তাঁর কালো চশমা এবং ঢিলে পোশাক দেখে 'ফিমেল হ্যারি পটার' বললেও কটাক্ষ বন্ধ হয়নি। লেখিকা নিজের চরিত্রের মিল হ্যারি পটারের বিভিন্ন চরিত্রের সাথে খুঁজে পেয়েছেন—হারমায়োনির মতো বই পড়ার শখ, লুনা লাভগুডের মতো শান্ত স্বভাব এবং জর্জ-ফ্রেডের মতো চঞ্চলতা।

