বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ৩১ অক্টোবর (শনিবার) সকাল বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে ১১‑দলীয় ঐক্যের লংমার্চ পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বিএনপি যদি জুলাই সনদের একটি দফা বাস্তবায়ন করে তবে বিরোধী দল আপাতত আর আন্দোলন করবে না, তবে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা চালিয়ে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে আরেকটি বিপ্লবের জন্য দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এই তথ্য বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী।
সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারি অফিসগুলোতে বিএনপির দলীয় কার্যক্রমের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়ে দুর্নীতি ও লুটপাট প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয়। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সংবিধান সংস্কার না করা, আইনশৃঙ্খলা অবনতির পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ইত্যাদি সংকটের মূল কারণ সরকার। তিনি জনগণকে গণরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিপ্লবের ফল পেতে বলছেন।
অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন
‘দেশ রূপান্তর’ প্রতিবেদনে ডা. শফিকুর রহমানের অতিরিক্ত মন্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে; তিনি তরিক রহমানের জাপান সফর ও মাতারবাড়ি চুক্তি গোপন রাখার অভিযোগ করেন এবং ‘কানেক্টিভিটি’ নামে দেশের সম্পদ অন্য দেশের কাছে ইজারা না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। একই প্রতিবেদনে ১১‑দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা গণভোটের গণরায়, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ‑তেল‑গ্যাস‑সার সংকট সমাধান, মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি রোধসহ সাত দফা দাবি করে সরকারকে তাড়া করেন।
‘বার্তা২৪’ প্রতিবেদনে শফিকুর রহমানের মূল বক্তব্য পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে তিনি বিএনপির বিশ্বাস ভঙ্গ ও নতুন জঞ্জাল সৃষ্টির সমালোচনা করেন এবং গণরায় বাস্তবায়নের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সমাবেশে উপস্থিত ১১‑দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা ঢাকা‑খুলনা‑যশোর‑কুষ্টিয়া রুটে লংমার্চের মাধ্যমে তাদের দাবিগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন।
উল্লেখ্য, উপরের তথ্যগুলো বাংলা ট্রিবিউন, দেশ রূপান্তর ও বার্তা২৪ সূত্রে পাওয়া গেছে; কোনো অতিরিক্ত অনুমান করা হয়নি।






