জনকণ্ঠের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের রাওয়ালকোটে নিরাপত্তা বাহিনীর ড্রোন হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং কমপক্ষে ২৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন শিশুও ছিলেন। তবে কয়েকজন পাকিস্তানি সাংবাদিকের দাবি, মৃত্যুর সংখ্যা অন্তত ১২ হতে পারে।
হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে; কিছু ব্যবহারকারী ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং গাজা পরিস্থিতির সঙ্গে সমান্তরাল টানছেন।
আবুধাবির বাসিন্দা কাশ্মীরি কর্মী সোহেব খান গাজার তুলনা করে মন্তব্য করেছেন, আর ইসলামাবাদের বাসিন্দা সীমা বালি, যিনি নিজেকে কাশ্মীরি পরিচয় দেন, তার দীর্ঘদিনের পাকিস্তান সমর্থন এই ঘটনার ফলে বড় ধাক্কা পেয়েছে। তিনি এক্স-এ লিখে বলেছেন, “ঘটনার নিন্দা না করে পারছি না। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ইসরায়েলি সেনার মতো আচরণ করছে।”
জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) নেতৃত্বে গত জুন মাসে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে এই আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনের প্রধান দাবি হল পাকিস্তানের অন্যান্য অঞ্চলে বসবাসরত কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিল করা। সরকার আন্দোলন দমন করে এবং জেএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।




