বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরাফাত হোসেনকে হুমায়ুন কবিরের (৪৫ বছর বয়সী, সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, ঘটনাটি ১ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হুমায়ুন কবিরের লাশের সামনে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের বক্তব্যে প্রকাশ পায়।
বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, দিদারুল আলম বিপ্লব, কবিরের ভাতিজা, জানিয়েছেন যে, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেনের সঙ্গে পাওনা টাকার কারণে বিরোধ ছিল।
বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, কিস্তিতে ফ্রিজ কেনার পর সময়মতো কিস্তি না দেওয়ার কারণে হুমায়ুন কবির ও আরাফাতের মধ্যে তর্কবিতণ্ডা হয়, যা পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যায় রূপ নেয়।
বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ৫-৬ জন ব্যক্তি জড়িত ছিল এবং তাদের মধ্যে একজনের মুখ ঢাকা ছিল।
বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, পুলিশ তদন্ত চলছে, এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গ্রেফতার অভিযান চলছে।
আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, হুমায়ুন কবির রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে হিল ক্যানটিনে কুপিয়ে হত্যা হয়েছিল, এবং তিনি ৪৫ বছর বয়সী ছিলেন।
বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, কবির ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সিটি করপোরেশন কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং আগামী নির্বাচনে একই ওয়ার্ড থেকে দৌড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।






