ঢাকা পোস্ট-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তৃতীয় দিনের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। পরবর্তীতে সফিপুর, রতনপুর ও আশপাশের কারখানার শ্রমিকরাও সেখানে যোগ দেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় ৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। গাজীপুরের শিল্প পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইনের বরাত দিয়ে ঢাকা পোস্ট জানিয়েছে, কোনাবাড়ী, সফিপুর ও কালিয়াকৈরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্প পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। প্রয়োজন অনুযায়ী বিজিবি সদস্যসংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে।

এদিকে প্রথম আলো-র প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূইয়াও ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওই গণমাধ্যমের তথ্যমতে, গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় বিক্ষোভকারী শ্রমিকেরা একটি পুলিশ বক্সে আগুন দেয়। এছাড়া কালিয়াকৈরের সফিপুর বাজার, চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ, মৌচাক ও তেলিচালা এলাকায় অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা।

আজকের পত্রিকা-র খবরে জানানো হয়েছে, শ্রমিক আন্দোলনের ফলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে এবং যাত্রী ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশ কয়েকটি কারখানা কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। তবে ছুটির সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে; একটি স্থানে ৮ থেকে ১০টি এবং অন্য অংশে ১০ থেকে ১২টি কারখানায় ছুটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার মাসের ক্ষেত্রে ঢাকা পোস্ট ১ নভেম্বর উল্লেখ করলেও আজকের পত্রিকা প্রতিবেদনে ১ সেপ্টেম্বর দাবি করা হয়েছে।