ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরের কালিয়াকৈর (চন্দ্রা পল্লী) উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ (চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ) এলাকায় শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বেতন‑ভাতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে ঢাকা‑টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন। তারা সড়কে মাটিভর্তি বস্তা, কাঠ ও বাঁশ ফেলে আগুন জ্বালিয়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশে গতি বন্ধ করে দেয়।
অবরোধের পটভূমি
শ্রমিকরা জানান, তারা কয়েক দিন ধরে কারখানা ব্যবস্থাপনার কাছে বেতন‑ভাতা বৃদ্ধির আবেদন জানিয়ে আসছেন, তবে কোনো সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় কর্মবিরতি শুরু করে অবরোধে নামেন। সমাবেশের আগে সড়ক পরিবহন ও শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান একটি সভা করেন, যেখানে প্রথম দিনের ভাঙচুর ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে শ্রমিকদের সচেতন করা হয়। সভা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকরা সড়কে নেমে অবরোধ চালু করেন।
অবরোধের ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে যান‑চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং হাজারো যাত্রীর ভোগান্তি হয়। এই তথ্য সমকাল, ইত্তেফাক, জনকণ্ঠ এবং আজকের পত্রিকায়ও একইভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে অধিকাংশ কারখানা এই সময়ে ছুটি ঘোষণা করে। জনকণ্ঠের মতে, এটি শ্রমিকদের দ্বিতীয়বারের মতো অবরোধ, যা দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি করেছে।
কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে এবং শ্রমিক ও মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে সড়ক মুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় উল্লিখিত তথ্যগুলো ঢাকা পোস্টের মূল প্রতিবেদন এবং অন্যান্য স্থানীয় মিডিয়ার (সমকাল, ইত্তেফাক, জনকণ্ঠ, আজকের পত্রিকা) কভারেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






