গাজীপুরের টঙ্গীতে তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার সামনে এক শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। দেশ রূপান্তর অনুসারে, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল জাবিরকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীকে নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা ঢাকা‑ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে, ফলে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার জানান, মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপদে সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
পূর্ববর্তী ঘটনার প্রেক্ষাপট ও ফুটওভার ব্রিজের দাবি
প্রায় তিন মাস আগে একই স্থানে আরেক শিক্ষার্থী ইয়াসিন আলী নিহত হন। সেই সময় জেলা প্রশাসক, সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এক সপ্তাহের মধ্যে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছিলেন, তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা পুনরায় ফুটওভার ব্রিজের দ্রুত নির্মাণের দাবি তুলে ধরেছেন।
চ্যানেল আই-এর প্রতিবেদনে একই ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে আহত শিক্ষার্থীকে আলিম প্রথম বর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা ঘটেছে দুপুরের পরে সিএনজি পাম্পের সামনে। ইনডিপেনডেন্ট টিভি অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ১৭ বছর বয়সী এবং মাইক্রোবাসের চাপায় আহত হয়েছেন; অবরোধ প্রায় তিন ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং রোববারের মধ্যে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাসে অবরোধ ত্যাগ করা হয়। আজকের পত্রিকায় শিক্ষার্থীর নামকে “জাবের হোসেন” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় অবরোধ শেষ হয়েছে। এই পার্থক্যগুলো সংশ্লিষ্ট মিডিয়া আউটলেটের তথ্য অনুযায়ী উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, আর কোনো প্রাণহানি বা দুর্ঘটনা না ঘটিয়ে দ্রুত ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন এবং সড়কে নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এই তথ্য দেশ রূপান্তর, চ্যানেল আই, ইনডিপেনডেন্ট টিভি এবং আজকের পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






