বাংলা ট্রিবিউনের মতে, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় পাবনা জেলার আতাইকুলা থানা এলাকার পুষ্পপাড়া গরুর হাটের আধাপাকা টিনশেডের অফিস কক্ষে ইজারাদার হাজী আব্দুস সালাম (বয়স ৫৫) ও তার ভাগ্নে মো. রিপন হোসেন (বয়স ৩৭) গুলি‑হত্যার শিকার হন। উভয়ই ধর্মগ্রাম এলাকার বাসিন্দা; আব্দুস সালামের পিতার নাম আরজ ব্যাপারী, রিপনের পিতার নাম মৃত ওমেদ আলী। সূত্র অনুযায়ী, হাটের ইজারা সংক্রান্ত পূর্বের বিরোধের ফলে গুলি চালানো হয়। শিকারের বুকে গুলি লেগে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের দিকে নিয়ে যায়, যেখানে চিকিৎসকরা দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন ও পার্থক্য

ঢাকা টাইমসের রিপোর্টে শিকারের পরিচয়কে “বিএনপি নেতা রিপন হোসেন ও হাটের ইজারাদার আব্দুস সালাম” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং গুলির সময়কে সন্ধ্যায়, হাটের খাজনা আদায়ের পর মিটিং চলাকালীন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। একই প্রতিবেদনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন মুখোশধারী অপরাধী এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে মজিবর রহমান (ওসি) উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম আলোতে শিকারের বয়সকে ৫৬ ও ৩৫ বছর বলে, এবং শিকারের পদবীকে “শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক” ও “চাচাতো ভাইয়ের ছেলে” হিসেবে উল্লেখ করেছে; গুলির সময়কে সন্ধ্যা সাতটার দিকে এবং গুলি চালানো দলকে “কয়েকজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত” বলা হয়েছে। দেশ রূপান্তর ও ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে শিকারের বয়স যথাক্রমে ৪০ ও ৫০ বছর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং উভয়ই রিপনকে “বিএনপি নেতা” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব সূত্রে শিকারের বয়স, রাজনৈতিক সংযুক্তি ও গুলির সময়ে পার্থক্য দেখা যায়।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) প্রদীপ কুমার সাহা (বাংলা ট্রিবিউন) জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে; তবে গুলির সুনির্দিষ্ট কারণ ও শুটারদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। তিনি দ্রুত সত্য উদ্ঘাটনের আশাও প্রকাশ করেছেন।

এই তথ্য বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী সংগ্রহ করা হয়েছে; অন্যান্য মিডিয়ার তথ্য উপরে উল্লেখিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।