আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কে ইকরচালী বাজারে ব্র্যাক কার্যালয়ের সামনে এআর ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাস ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়।

ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে ঘটে। বাসটি নীলফামারীর ডোমার থেকে রংপুর নগরের ধাপ এলাকায় যাওয়ার পথে গতি বাড়িয়ে চলছিল। ইকরচালী বাজারে প্রবেশের সময় ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে উল্টে যাওয়ার ফলে অন্তত ২০ জন আহত হয় এবং একজন নিহত হন।

প্রথমে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহত ব্যক্তিদের তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বর হোসেন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসা ব্যবস্থা চলছে।

তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমানও জানিয়েছেন যে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়েছেন, কিন্তু নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

আজকের পত্রিকা উল্লেখ করেছে যে বাসের যাত্রী সুমন মিয়া জানান, তিনি ডোমার থেকে রংপুর নগরের ধাপ এলাকায় যাওয়ার জন্য বাসে উঠেছিলেন এবং বাসটি উল্টে যাওয়ার সময় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

অন্য সংবাদমাধ্যমগুলো একই সময়ে ভিন্ন একটি দুর্ঘটনার প্রতিবেদন করেছে। ইনডিপেনডেন্ট টিভি ও দেশ রূপান্তর পডমা সেতু হাইওয়েতে বাসের ধাক্কায় সুপারভাইজার নিহত ও ৭ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছে, যা রংপুরের তারাগঞ্জের ঘটনায় ভিন্ন। এই প্রতিবেদনগুলো আলাদা ঘটনার অন্তর্গত বলে মনে হয়।