গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরের সারদাগং এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচজন সদস্য দগ্ধ হয়েছেন। ঘটনা বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘটেছে।
দগ্ধদের মধ্যে রিয়াজুল শেখ, আরিফা বেগম, ফারিয়া, রোজিনা এবং এক বছর বয়সী শিশু মো. রহিম অন্তর্ভুক্ত। রিয়াজুলের দেহের প্রায় ৪০ % পুড়ে গেছে, আরিফা বেগমের ৫ %, ফারিয়ার ৮ % এবং রোজিনা ও শিশুর দেহের ১ % এর কম পুড়ে গেছে। রিয়াজুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে।
দেশ রূপান্তর অনুসারে, দগ্ধদের পরে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে এবং চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হয়েছে। এই তথ্য ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার (রেসিডেন্ট সার্জন‑ইমার্জেন্সি) এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেল কর্মকর্তা তালহা বিন জসিমের নিশ্চিতকরণে পাওয়া গেছে।
অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন
সমকাল, বাংলা ট্রিবিউন এবং ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা একই তথ্য পুনরায় প্রকাশ করেছে; তারা সকলেই গ্যাস লিকেজের সময়, দগ্ধদের নাম ও পুড়ে যাওয়া শতাংশে একমত। তবে বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা উল্লেখ করেছে যে দগ্ধদের ভর্তি হওয়ার সময় দুপুর ২টার দিকে ছিল, যেখানে দেশ রূপান্তর কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেনি।
এই পার্থক্য ছাড়া, সব সূত্রই দগ্ধদের চিকিৎসা চলমান এবং রিয়াজুলের অবস্থা গুরুতর বলে উল্লেখ করেছে।
এই প্রতিবেদন দেশ রূপান্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।






