প্রথম আলো অনুসারে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) বুধবার মিরপুর‑১ এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের অবৈধ দখলমুক্তি লক্ষ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালু করে। শফিকুল ইসলাম খান, ডিএনসিসি প্রশাসক, দলীয় নেতা‑কর্মীদের সঙ্গে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযানস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল সড়ক যা মিরপুর‑১ চত্বর থেকে শাহ আলী মাজারের দিকে যায়, সেই পথের পাশাপাশি শাহ আলী কাঁচাবাজার ও আশপাশের ফুটপাতের অবৈধ স্টল ও দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। লক্ষ্য হল পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা।

প্রাথমিকভাবে সকাল ১০টায় অভিযান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, প্রথম সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে সেই সময় পর্যন্ত কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়নি; ফলে বেশ কিছু ফুটপাতের ব্যবসায়ী ও হকার তাদের পণ্য অন্যত্র সরিয়ে নেন।

ইনকিলাবের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে একই দিনে (২৮ অক্টোবর) সকালবেলা শাহ আলী সিটি মার্কেটের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয় এবং পূর্বে মিরপুর‑১০ নম্বর সড়কের ফুটপাতও ডিএনসিসি পরিষ্কার করেছে। শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “জনগণের হাঁটাচলার রাস্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে” এবং প্রধানমন্ত্রীকে “গ্রিন ও ক্লিন ঢাকা” করার অঙ্গীকারের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

আলোকিত বাংলাদেশে একই দিনে ১১টায় শফিকুল ইসলাম খান প্রথম দফার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করার কথা জানায় এবং বিকেল ৫টায় দ্বিতীয় দফা চালানোর পরিকল্পনা উল্লেখ করে। ডিএনসিসি জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের মতে, এই দ্বিতীয় দফা ফুটপাতের নিচের ব্রিজ থেকে শুরু হবে। প্রতিবেদনে প্রশাসকের মন্তব্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে তিনি অতীতের (১৮‑২২ বছর আগে) “ফ্যাসিস্ট সরকারের” সময় থেকে অবৈধ দোকানপাটের উপস্থিতি উল্লেখ করেন এবং বর্তমান সরকারের “জনবান্ধব” নীতির সঙ্গে তুলনা করেন।

ঢাকা পোস্টের সংক্ষিপ্ত শিরোনাম অনুযায়ী, বিকেলে মিরপুরে আবার ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান চালু হয়, যা আলোকিত বাংলাদেশে উল্লেখিত বিকেল ৫টায় দ্বিতীয় দফার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সর্বোপরি, ডিএনসিসি সকল প্রতিবেদনে একমত যে এই অভিযান নগর বাসীর চলাচল সহজ করা, অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং শহরের শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।