চ্যানেল ২৪ অনুযায়ী, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, বাজারে তারল্য বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতি চেয়েছে।

ইনকিলাব ও বাসসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডিবিএর এই প্রস্তাবটি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

বর্তমানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের জন্য তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের মূলধনি মুনাফার ৫০ লাখ টাকার পর্যন্ত কর অব্যাহতি রয়েছে, আর অতিরিক্ত মুনাফার ওপর ১৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য। ডিবিএ এই ৫০ লাখ টাকার অব্যাহতি পুনর্বহাল এবং বিদেশি ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী আয়কর আইন, ২০২৩‑এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তিকৃত যোগ্য লেনদেনের মূলধনি মুনাফা করমুক্ত করা যেতে পারে। তবে স্পনসর, পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর উপর বিদ্যমান করব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে ডিবিএ একমত পোষন করেছে।

সিসিবিএল পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হলে মূলধনি মুনাফা নিরূপণ ও কর হিসাবের প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে ডিবিএ মনে করে, তাই সিসিবিএল কার্যক্রম শুরু হওয়া পর্যন্ত মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি চেয়েছে।

ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করলে পুঁজিবাজারে আস্থা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও তালিকাভুক্ত কোম্পানির অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে।

ডিবিএ সরকারকে প্রস্তাবটি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে নীতিগত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।