বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে সমকাল। ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনা তিন দিনব্যাপী সম্পন্ন হয়েছে।
সমকাল প্রতিবেদন: বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া এফটিএ বাণিজ্য সম্প্রসারণে অগ্রগতি
তিন দিনব্যাপী এ আলোচনায় চুক্তির বিভিন্ন অধ্যায়ের খসড়া ও কাঠামোগত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনার ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠানের প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে উভয় পক্ষ।
আলোচনায় ১৩টি ওয়ার্কিং গ্রুপ এফটিএর সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ের খসড়া পাঠ ও কাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে। আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ট্রেড ইন গুডস, ট্রেড ইন সার্ভিস, রুলস অফ অরিজিন, কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজীকরণ, ডিজিটাল বাণিজ্য, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি ব্যবস্থা, বাণিজ্যে কারিগরি বাধা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা নাজনীন বলেন, প্রস্তাবিত এফটিএ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন অর্থনৈতিক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
মালয়েশিয়া থেকে প্রযুক্তি স্থানান্তর, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং শিল্প খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক ড. রাশিদী সাঈদ উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে উভয় পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভারসাম্য বজায় রেখে একটি কার্যকর ও 'উইন-উইন' চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
বাংলাদেশের জন্য এফটিএটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ার কারণ হলো স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে চুক্তির সুফল নির্ভর করবে চূড়ান্ত শর্তাবলি, শুল্কছাড়ের পরিধি, দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বাস্তবায়ন কাঠামোর ওপর। এ কারণে চলমান আলোচনায় উভয় দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করে একটি টেকস ও পারস্পরিক লাভজনক চুক্তি প্রণয়ন গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রত্যাশিত তথ্য (সমকাল): জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠানের প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রত্যাশিত তথ্য (প্রথম আলো): জানুয়ারিতে দ্বিতীয় দফার বৈঠক কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রত্যাশিত তথ্য (দেশ রূপান্তর): প্রথম দফার আলোচনা ইতিবাচকভাবে শেষ হয়েছে; দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পারস্পরিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে অগ্রগতি হয়েছে।
প্রত্যাশিত তথ্য (বাংলা ট্রিবিউন): আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় দফার বৈঠক আয়োজনের প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া এফটিএ বাণিজ্য সম্প্রসারণে অগ্রগতি
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
নিউজডেস্ক ডেস্ক · ডেস্ক রিপোর্ট

এই প্রতিবেদন তৈরিতে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়েছে এবং সম্পাদকীয় দল তা যাচাই করেছে।
সূত্র: সমকাল
সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন




