বাংলাদেশের মোট ঋণ সাম্প্রতিককালে ২২৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে, যা জিডিপির ৪০% এরও বেশি।

সাম্প্রতিক বাজেটে ২০২৬–২৭ অর্থবছরে সরকারী ঋণ পরিশোধের বরাদ্দ শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের বরাদ্দের সমান। ২০২৮–২৯ অর্থবছর থেকে ঋণ পরিশোধ জাতীয় বাজেটের সর্ববৃহৎ ব্যয় হবে।

২০২৬‑এর নভেম্বর পর্যন্ত বাহ্যিক ঋণ ১১৬ বিলিয়ন ডলার, জিডিপির ২৩%। ২০১৯‑২০ অর্থবছর পর্যন্ত বাহ্যিক ঋণ জিডিপির ১৫% এর নিচে ছিল। ২০১৯‑২০ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক ৩৮%, এএডিবি ২৪.৫%, জিকিয়া ১৭%, চীন ৬.৮১%, রাশিয়া ৬.১৪%, ভারত ১.৩% ছিল।

শেখ হাসিনা ২০০৯‑২৪ পর্যন্ত ১৫.৫ বছরের শাসনে ব্যাপক ঋণ সংগ্রহ করেছে। ২০২৪‑এ সরকারী মোট ঋণ ১৮.৩৫ ট্রিলিয়ন টাকা, ২০০৯‑এ ছিল ২.৭৬৮৩ ট্রিলিয়ন টাকা। ঋণ বৃদ্ধি ১৫.৫৮২০৬ ট্রিলিয়ন টাকা।

২০২৩‑২৪ অর্থবছরে বাহ্যিক ঋণ পরিশোধের বরাদ্দ প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার, ২০২৬‑২৭ অর্থবছরে ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ভবিষ্যতে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

বর্তমান সরকারী বাজেট ঘাটতি ৫% জিডিপি অতিক্রম করতে পারে, কারণ রাজস্ব জিডিপির ৭% মাত্র।

বাহ্যিক ঋণ সংগ্রহে সফট লোন প্রধান ছিল। ২০২০‑২১ পর্যন্ত বার্ষিক পরিশোধ বাজেটের ৫‑৬%।

মহা প্রকল্পে দুর্নীতি ও অপব্যবহার: পাদ্মা ব্রিজের প্রকৃত খরচ ১০,০০০ কোটি টাকা, সরকারী ঘোষণা ৩০,০০০ কোটি টাকা; রূপপুর নিউক্লিয়ার ৫৬,৫০০ কোটি টাকা, ঘোষণা ১১৩,০০০ কোটি টাকা; বি আর টি প্রকল্প ৩০ বিলিয়ন টাকা ব্যয়, ১৪ বছর পর বাতিল।

শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের বরাদ্দের সমান ঋণ পরিশোধের বরাদ্দ সরকারী ব্যয়ের অগ্রাধিকার পরিবর্তনকে নির্দেশ করে।

Prothom Alo English অনুযায়ী, বর্তমান BNP সরকার এই ঋণ সাগর থেকে দেশকে উদ্ধার করতে পারবে কিনা তা দেখা বাকি।