আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার গোবিন্দপুর নওদা ভন্ডবিল গ্রামের ইমদাদুল হক (২৩) বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি চায়ের দোকানে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার বিষয়ে নাইস (২০) নামে এক যুবকের সাথে বিতর্কে পড়েন। পরে ইমদাদুল নাইসের বাড়িতে গিয়ে তার অভিভাবকদের বিষয়টি জানাতে চাইলেন। সেখানে আবার বিতর্কের পর নাইস কাঠের বাটাম দিয়ে ইমদাদুলের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করলেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় ইমদাদুলকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে তারপর কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। নিহত ইমদাদুল রেজাউল হকের ছেলে এবং গ্রেফতার নাইস মজনু রহমানের ছেলে। উভয়ই একই গ্রামের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শী উজ্জ্বল হোসেন জানান, ইমদাদুল বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছিলেন। জনকণ্ঠও ঘটনাটি যাচাই করেছে এবং তাদের প্রতিবেদনেও বুধবার রাত ৯টার দিকে পৌর এলাকার গোবিন্দপুর গ্রামে ঘটনা ঘটার কথা উল্লেখ করা আছে।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ায় এবং পরে লালব্রিজ এলাকা থেকে অভিযুক্ত নাইসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হবে।