সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, লতবদি ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামে মুল্লা ব্রিকসের পাশে ইটভাটার কাছে ৬‑বছরী তওবা নামের শিশুকে হত্যা করা হয় এবং তার দেহ পরিত্যক্ত জমিতে ফেলে রাখা হয়। একই সময়ে শিশুর বাবা গোলাপ হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়; তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাপুর স্বদেশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পুলিশ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ঘটনাস্থল থেকে শিশুর দেহ উদ্ধার করে। তওবার দেহের সঙ্গে সঙ্গে হোসেনের অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। ঢাকা টাইমস ও ইনকিলাবের মতে, হোসেন ২৯ অক্টোবর দুপুর ১২ঃ৩০ টায় হাসপাতালে অবস্থার অবনতি হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পথে মারা যান। সমকালের মূল প্রতিবেদনে হোসেনের মৃত্যুর উল্লেখ নেই, তাই এই তথ্যের পার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, হোসেনের বাড়ি রামকৃষ্ণদী গ্রামে হলেও তিনি পরিবার নিয়ে একই ইউনিয়নের দোসরপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। হোসেনের বাবা জয়নাল মিয়া পাঁচ বছর ধরে রামকৃষ্ণদী এলাকার একটি ইটভাটায় কাজ করছেন। ঘটনার সময়, হোসেন ও তার বাবা একসঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে আক্রমণের শিকার হন।

ঘটনার পেছনে জমি সংক্রান্ত বিরোধের সম্ভাবনা রয়েছে; তওবার নানি তাসলিমা এবং সিরাজদিখান থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন উভয়ই এই দিকটি উল্লেখ করেছেন।

গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তথ্যেও পার্থক্য দেখা যায়: ঢাকা টাইমস ও ইনকিলাব একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায়, আর একাত্তর টিভি চারজনকে আটক করার তথ্য দেয়। সমকালের প্রতিবেদনে গ্রেপ্তার সম্পর্কে কোনো তথ্য দেয়া হয়নি।

সিরাজদিখান থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন বলেছেন, ঘটনাটির সঠিক কারণ এখনো পরিষ্কার হয়নি এবং তদন্ত চলমান।

উপরের তথ্যগুলো সমকাল, ঢাকা টাইমস, ইনকিলাব এবং একাত্তর টিভি সহ বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে; যেখানে তথ্যের পার্থক্য রয়েছে, তা যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।