ঢাকা, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ (বিএসএস) – শের‑ই‑বাংলা ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ২৭২ রানে আটকে গেল। টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সকাল সেশনে দলটি ৫৯ রানে সাতটি উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত অলআউট হয়ে গেল।
বোলিং পারফরম্যান্স
বেস্ট বোলার জোমেল ওয়ারিক্যান (বামহাতের স্পিনার) ৫ উইকেট নিয়ে ৫৩ রান (৫‑৫৩) নেন এবং বাংলাদেশের পতন ত্বরান্বিত করেন, যখন বাংলাদেশ ২১৩/৩ স্কোরে ফিরে আসে। ওয়ারিক্যানের পরপরই মেহেদি হাসান মিরাজকে ১৫ রানে আউট করেন এবং টয়েজুল ইসলাম ও শোরিফুল ইসলামের উইকেট নেন, ফলে শেষ পাঁচটি উইকেট মাত্র ১৯ রানে শেষ হয়। শামার জোসেফ ২‑৪১ পারফরম্যান্সে নায়েম হাসান ও হাসান মুরাদকে আউট করেন।
ব্যাটিং অবস্থা
শাদমান ইসলাম (বিএসএস অনুযায়ী শাদমান ইসলাম) ৯৯ রানে আটকে গিয়ে তৃতীয় শতক সম্পন্ন করেন, ২২১ বলের ওপর ১০১ রান (বিএসএস‑এ ১০১, সমকাল‑এ শাদমানের সেঞ্চুরি উল্লেখ আছে)। শাদমানের পর জোশুয়া বিশপের (যশুয়া বিশপ) ১০৫ রান যোগ হয়; সমকাল‑এর প্রতিবেদনে বিশপের ১০৫ রান উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বিএসএস‑এ বিশপের উইকেট নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাওহিদ হৃদয় পূর্বদিনে পেশির টান নিয়ে মাঠ ছেড়ে গিয়েছিলেন, তবে শাদমানের আউটের পর ফিরে এসে কোনো রান যোগ করতে পারেননি। লিটন দাস ৩৪ রান করে শেষ পর্যন্ত আটকে যান, মিরাজের সঙ্গে ৩২ রানের অংশীদারিত্ব গড়ে তোলেন।
বিবাদিত তথ্য
বিএসএসের মতে, জোশুয়া বিশপ (বামহাতের স্পিনার) শাদমানের উইকেটের পর হ্রিদয়কে আউট করেন এবং তার ডেবিউ ইনিংসে ২‑৬১ পারফরম্যান্স রাখেন। অন্যদিকে সমকাল‑এর প্রতিবেদনে বিশপকে ১০৫ রান স্কোরার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং কোনো উইকেটের উল্লেখ নেই। এছাড়া শাদমানের শতক ও শাদমানের নামের বানানে (শাদমান বনাম শাদমান ইসলাম) পার্থক্য রয়েছে। এই বিষয়গুলো প্রকাশের আগে নিশ্চিত করা দরকার।
উপরের সব তথ্য বিএসএস, সমকাল এবং ঢাকা ট্রিবিউন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






