শেরপুরের গারো পাহাড়ের বারোমারী সাধু লিও’র খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে দুই দিনব্যাপী ‘ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’র তীর্থোৎসব শুরু হয়েছে। এই উৎসবে ভারতের মেঘালয় সীমান্তের বারোমারী ধর্মপল্লী ও আশপাশের গ্রামের গারো সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খ্রিস্টভক্তরা আগত হয়েছেন। প্রশাসন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার তিনটায় প্রার্থনার মাধ্যমে উৎসবের শুভ সূচনা হয়েছে। সন্ধ্যায় আলোর শোভাযাত্রা ও মহাখ্রিস্টযোগ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান পুরোহিত হিসেবে ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের বিশপ পনেল পল কুবি সিএসসি আছেন। পাশের মাঠে মেলা ও বিভিন্ন পণ্যের বিক্রি হচ্ছে। এতে বাঙালি মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও ভিড় করেছেন।
আয়োজক কমিটির সমন্বয়ক ফাদার তরুণ বানোয়ারী বলেছেন, আবহাওয়া অনুকূল এবং দেশের পরিস্থিতি ভালো থাকায় উৎসব উদযাপন করা হবে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন উৎসব পরিদর্শন করেছেন। শেরপুর পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম বলেছেন, পোশাকি ও সাদা পোশাকে প্রায় চার শতাধিক পুলিশ ও এপিবিএন বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে।
উল্লেখ্য, বারোমারী ধর্মপল্লী ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত। এটি পাহাড়ের বুকে পর্তুগালের ফাতেমা নগরীর আদলে তৈরি। ১৯৯৮ সাল থেকে এটি বার্ষিক তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। এখানে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় তীর্থোৎসব অনুষ্ঠিত হয়।





