বিবিসি বাংলার রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শেরপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে ১৩০টিরও বেশি বন্য হাতি আটকে পড়ে আছে। ভারতের মেঘালয় অংশে কাঁটাতারের বেড়া ও গেট নির্মাণের পাশাপাশি কাজুবাদাম চাষের কারণে হাতিদের স্বাভাবিক বিচরণপথ বন্ধ হয়ে গেছে।
বন বিভাগ ও আইইউসিএন-এর তথ্য অনুযায়ী, এক দশক আগে এই এলাকায় প্রায় ৫০টি হাতি ছিল, যা বর্তমানে বেড়ে ১৩০-১৩৫টির হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত এক যুগে কমপক্ষে ৩৫টি হাতির মৃত্যু ঘটেছে, যার মধ্যে বৈদ্যুতিক স্পর্শাঘাত, গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাত অন্তর্ভুক্ত।
বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে উদ্বেগ জানিয়েছে এবং হাতিদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। ভারতীয় পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।
গবেষকরা সতর্ক করেছেন, সমাধান না হলে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব এবং বন্যপ্রাণীর সংকট আরও বেড়ে যেতে পারে।






