ইনকিলাব অনুসারে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশের অবনতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে সতর্ক করে, সবাইকে দায়িত্বের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভায় তিনি আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাদার ট্রি চিহ্নিত করে সংরক্ষণ, গাছ রোপণ ও তার নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এছাড়া ছাদবাগান, স্কুলবাগানসহ বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে মানুষকে উৎসাহিত করার কথাও বলেন। তিনি ঢাকা শহরের বায়ুদূষণকে দেশের জন্য লজ্জার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে, প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে আহ্বান করেন।
প্রধানমন্ত্রী ২৫ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা উল্লেখ করে, সঠিকভাবে কাজ করলে দেশের সব মানুষ এর সুফল পাবে বলে জানান। তিনি অন্যান্য মন্ত্রণালয়কে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ রোপণ করলে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে ঘাটতি পূরণে উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেন।
সভায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপস্থিতি ছিল। পরে তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করে, মাঠ, বাগান এবং অবকাঠামোর পরিচ্ছন্নতা, সবুজায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. বিটু এবং সহকারী চিকিৎসক ডা. আ. ন. ম. মনোয়ারুল কাদির বিটু উপস্থিতিতে তিনি খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুলের চিকিৎসার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনের জানাজায় অংশ নিয়ে, মৃতাব্দে ৭৭ বছর বয়সী আলহাজ মো. আব্দুল হাইয়ের লাশে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সমবেদনা প্রকাশ করেন।
এই সব তথ্য ইনকিলাবের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।






