বাংলাদেশ সরকার সৌদি আরবে বসবাসরত প্রায় ৬৯,০০০ রোহিঙ্গাকে বিশেষ পাসপোর্ট ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। (আজকের পত্রিকা)
ইতোমধ্যে ২৪,৩০০ জনকে পাসপোর্ট পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং বাকিরা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পাবে। (আজকের পত্রিকা)
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই পাসপোর্টগুলো জারি হচ্ছে, যা সাধারণ নাগরিক পাসপোর্টের থেকে আলাদা। (আজকের পত্রিকা)
জিয়াউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, বলেছেন যে এই পাসপোর্টগুলো রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করবে, তবে এগুলো দিয়ে তারা বাংলাদেশে ফিরতে পারবে না বা সৌদি নাগরিকত্ব পাবে না। (আজকের পত্রিকা)
পাসপোর্টে বিশেষ সিরিয়াল নম্বর, আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ ও মুখমণ্ডলের ছবি সহ বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষিত থাকবে, যাতে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে সহজে শনাক্ত করা যায়। (আজকের পত্রিকা)
BBC বাংলা ও ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পদক্ষেপটি সৌদি আরবের শ্রমবাজারে রোহিঙ্গাদের অবৈধ কাজের আশঙ্কা কমাতে এবং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে নেওয়া হয়েছে। (BBC বাংলা, ঢাকা টাইমস)
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৩ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ বৈঠকে বাকি পাসপোর্ট বিতরণ চূড়ান্ত করেছে বলে জানিয়েছে। (আজকের পত্রিকা)
আসিফ মুনীর, অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ে কাজ করা কর্মকর্তা, উল্লেখ করেছেন যে পূর্বে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন পাসপোর্টের প্রয়োজন হয়েছে। (আজকের পত্রিকা)
এই বিশেষ পাসপোর্টগুলো সৌদি আরবে রোহিঙ্গাদের অবস্থান নিশ্চিত করবে, তবে তারা বাংলাদেশে ফিরে আসবে না বলে অনুমান করা হচ্ছে। (আজকের পত্রিকা)





