ইনকিলাবের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান দ্বন্দ্বের সমাধানে কাতার নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ চালু করেছে। কাতারের মধ্যস্থতাকারী দলটি শুক্রবার তেহরানে পৌঁছেছে এবং আল জাজিরার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয়ে কাজ করছে।
বাংলা ট্রিবিউন ও বার্তা২৪ উভয়ই জানিয়েছে যে কাতারী প্রতিনিধিদলটি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তেহরানে পৌঁছায় এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে। উভয় প্রতিবেদনে দিনটি শুক্রবার উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখটি বাস্তবে শনিবার হতে পারে; এই তারিখ‑দিনের পার্থক্য উভয় সূত্রে উল্লেখ আছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্টে উল্লেখ আছে যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ির কাছে পারমাণবিক ও আঞ্চলিক আলোচনার পুনরায় সচল করার উদ্দেশ্যে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ফারস নিউজ এজেন্সির সূত্রে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, তেহরান চিঠিটি পেয়েছে তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
ইনকিলাবের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়; তদুপরি তেহরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আরব রাষ্ট্রে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়। এরপর গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তবে হরমুজ প্রণালীর নৌচলাচল স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিরোধের কারণে আলোচনা থেমে যায়।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট; বর্তমান পরিস্থিতিতে কাতার এই সংকট সমাধানে নতুন কোনো সমঝোতা করতে পারবে কিনা তা এখন দেখার বিষয়। (সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি)






