বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রায় ৩০০টি সিডি জিয়াউল আহসানের বাড়ি থেকে জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯০টি সিডি ইতিমধ্যে মূল্যায়ন করা হয়েছে, বাকি ২১০টি এখনও পর্যালোচনা চলছে।
ডিএনএ পরীক্ষায় প্রাথমিক ফলাফল দেখায় যে, সাগরকে বাঁধার চাদর ও রুনির টি-শার্ট থেকে প্রাপ্ত নমুনায় দুটি অজানা পুরুষের ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া গেছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবগুলো মিশ্রণের কারণে ছবি তৈরি করতে পারেনি। ঘটনাস্থলে মোট চারজনের ডিএনএ পাওয়া গেছে; তিনজন পুরুষ ও একজন নারী, যার মধ্যে সাগর ও রুনি শনাক্ত হয়েছে, বাকি দুই অজানা পুরুষের পরিচয় এখনও অজানা।
হাইকোর্টের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তথ্য-প্রমাণ হস্তান্তরের উদ্যোগের কথা জানিয়ে ছয় মাসের অতিরিক্ত সময় মঞ্জুর করেন। টাস্কফোর্সের প্রধানকে ২৯ এপ্রিল আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
প্রথম আলো ইংরেজি অনুযায়ী, একই সময়ে দেশের কিছু অঞ্চলে বিদ্যুৎ গ্রিড ব্যর্থতা ঘটেছে; আইসিটি (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) এর কোনো সংযোগ নেই। ডেইলি অবজার্ভার রিপোর্টে উল্লেখিত একটি পৃথক মামলায়, ২২ বছর বয়সের তারেক মিয়া আইফোন ১১ নিয়ে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন; এই ঘটনা সাগর-রুনি মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। উভয় প্রতিবেদন আলাদা বিষয়ের উপর ভিত্তি করে এবং তাদের তথ্য আলাদা আলাদা সূত্রে নির্ভরশীল।
মামলায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের, যেমন সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, মিডিয়া মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরের জিজ্ঞাসাবাদ এখনও বাকি রয়েছে। তদন্তের সম্পূর্ণতা ও প্রমাণের স্বতন্ত্র যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন রয়েছে।






