প্রথম আলো অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ মঙ্গলবার একটি আদেশ জারি করেছে। এতে লেখক‑অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ.এস.এম. মাকসুদ কামাল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাজহারুল কবির শয়নকে আত্মসমর্পণ করতে দুইটি সংবাদপত্রে (একটি বাংলা, একটি ইংরেজি) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয় প্রকাশ করবে।

মামলার পটভূমি ও বর্তমান অবস্থান

এই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মোট আটজন আসামি রয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক বিচারপতি এ.এইচ.এম. শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ.কে.এম. জামাল উদ্দিন এবং ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অন্য পাঁচজন (উল্লেখিত পাঁচজন) এখনো গ্রেপ্তার হননি এবং ট্রাইব্যুনালের নির্দেশমতো সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

মামলার পরবর্তী তারিখ ট্রাইব্যুনাল ১২ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে।

সমকাল এবং চ্যানেল ২৪-ও একই তথ্য প্রকাশ করেছে, যেখানে ট্রাইব্যুনালের নাম ট্রাইব্যুনাল‑১ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আজকের পত্রিকা প্রতিবেদনে ট্রাইব্যুনাল‑২ নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই বিষয়ের ওপর ভিন্নতা সৃষ্টি করেছে।

এই তথ্যগুলো প্রথম আলো এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।