একাত্তর টিভি অনুসারে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেলে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (IDE) – যা কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তন নামেও পরিচিত – ‘পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার বাতিলের দাবি জানিয়ে সতর্কবার্তা দেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ৪০ বছরের পুরনো মামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আমাদের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দিয়েছিল এবং এই বিচারের শেষ দেখে তারা দেশ ত্যাগ করবে। তিনি যোগ করেন, “আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের মাটিতে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না” এবং “যদি কেউ ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা করে, তাদের পরিণতিও ভিন্ন হবে না।”
মিটিংয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনার কথা স্মরণ করে বলেন, “আওয়ামী সন্ত্রাসী তাণ্ডবের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।” তিনি দাবি করেন, ঐ সময়ের মামলায় নথিপত্র গায়েব করে এবং মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে একই অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমানের অতিরিক্ত মন্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে: তিনি “যদি রাজনীতি মানুষকে হত্যা করার নাম হয়, তবে তা ঠিক আছে; কিন্তু যদি রাজনীতি কল্যাণের জন্য হয়, তবে আওয়ামী লীগের কোনো গুণ নেই” বলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক গুণগত মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। এছাড়া তিনি “বিএনপি সরকার আবার পুরনো ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে” বলে বর্তমান শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করেন।
ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যও উল্লেখ করা হয়েছে যে, “আওয়ামী লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে কোনো বাধা নেই, তবে অপরাধে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।” তিনি মানবিক রাজনীতি এবং সন্ত্রাসী রাজনীতির বিরোধিতা করে আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের শীর্ষ নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। উপরের তথ্য একাত্তর টিভি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের (ঢাকা টাইমস, ইত্তেফাক, আজকের পত্রিকা) প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






