ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা অনুযায়ী, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তুরাগ নদীর রাজাবাড়ী ঘাটের কাছাকাছি স্থান থেকে সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কেএম তাহসিফ সাউরির ভাসমান লাশের পাশে তার মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামাল ও এক পুলিশ সুপার উভয়েই জানিয়েছেন যে মোটরসাইকেলটি লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে পাওয়া গেছে।

মোটরসাইকেলের অবস্থান সম্পর্কে ভিন্নতা

প্রথম আলো ও সারাবাংলা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে মোটরসাইকেলটি টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় পাওয়া গেছে, যেখানে ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা শুধুমাত্র “ঘটনাস্থলের কাছাকাছি” বলে উল্লেখ করেছে। উভয় তথ্যই পিবিআই‑এর সূত্রে ভিত্তিক।

লাশের উদ্ধার

তাহসিফের ভাসমান লাশ বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে তুরাগের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়, যা সব সূত্রে একরূপে উল্লেখ আছে।

নিখোঁজ হওয়ার পূর্বের ঘটনা

ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা জানায়, তাহসিফ বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের ডাকে বাসা থেকে বের হন। অন্যদিকে, প্রথম আলো ও সারাবাংলা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ি ছেড়ে গেছেন, রাত ১:৩৫ টায় মায়ের কাছে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে বাড়ি ফেরার কথা জানিয়েছিলেন এবং সিসিটিভি ফুটেজে দীপের সঙ্গে দেখা হওয়া দেখা যায়। উভয় বর্ণনায় “দীপ” নামের ব্যক্তির উপস্থিতি উল্লেখ আছে, তবে তার পরিচয় ও কলের প্রকৃতি সম্পর্কে পার্থক্য রয়েছে।

দীপের হেফাজত ও তদন্ত

দীপকে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতের দিকে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর শাখা হেফাজতে নিয়েছে; পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামাল জানান হেফাজতের পর তারা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন, তবে তা প্রকাশ না করার কথা বলেছেন।

মোটরসাইকেল মালিকানা যাচাই

পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলের মালিকানা এখনো যাচাই করা হচ্ছে এবং নৌপুলিশকে সহায়তা করা হচ্ছে। বাংলা ট্রিবিউন ও প্রথম আলো উভয়ই উল্লেখ করেছে যে মোটরসাইকেলে কোনো নম্বর প্লেট নেই এবং পিবিআই প্রাথমিকভাবে এটিকে তাহসিফেরই হতে পারে বলে ধারণা করছে।