ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনের মতে, নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম (মৃত্যু ২৬ অক্টোবর) হত্যার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলামিন (২৬) ও আনিসুর (২৫) নামের দুইজনকে আটক করা হয়েছে। আটকটি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দোরাবারিষা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সম্পন্ন হয়।

পূর্বে একই মামলায় নাটোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম এমপি আব্দুল আজিজের বড় ছেলে মিন্টুকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করেছিল। শাকিলের আঘাতের ঘটনা ১৪ অক্টোবর রাত ১০:৩০ টার দিকে চাঁচকইড় বাজারপাড়া এলাকায় ঘটেছিল; গুলি ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত শাকিলকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। শাকিলের মৃত্যু ২৬ অক্টোবর রাতের দিকে ঘটে।

অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে কিছু পার্থক্য দেখা যায়। ইত্তেফাক একই তথ্য পুনরায় উল্লেখ করে আলামিন ও আনিসুর নাম ও বয়স উল্লেখ করেছে, তবে অতিরিক্ত কোনো বিবরণ দেয়নি। বাংলা ট্রিবিউন প্রতিবেদনে আটক দুজনের পূর্ণ নাম আলামিন হোসেন ও আনিসুর রহমান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং আটকের সময়কে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত্রি ৩ টা হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেখানে আটক স্থানকে দোরাবারিষা গ্রাম হিসেবে নির্দিষ্ট করেছে। এছাড়া, এই সূত্রে এমপি আজিজের ছেলেকে নুরুজ্জামান মিন্টু নামে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশ রূপান্তরও একইভাবে আলামিন ও আনিসুর নাম উল্লেখ করেছে এবং আটককে দোরাবারিষা এলাকার ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে।

উপরের পার্থক্যগুলোকে বিবেচনা করে, শাকিল ইসলাম হত্যার মামলায় আটক দুজনের বয়স ও নাম (আলামিন, আনিসুর) ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী নিশ্চিত, তবে তাদের পূর্ণ নাম, আটকের সঠিক তারিখ, সময় ও নির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন।

এই তথ্য ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী সংগ্রহ করা হয়েছে।