চ্যানেল ২৪ রিপোর্ট করেছে যে নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম হত্যার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সংসদ সদস্য আজিজুর রহমান আজিজের (অথবা আবদুল আজিজ) ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে ২৬ অক্টোবর (সোমবার) পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

প্রথম আলো অনুসারে, নুরুজ্জামান হলেন এমপি আবদুল আজিজের বড় ছেলে এবং হেফাজতে নেওয়া কাজটি সোমবার রাত থেকে শুরু হয়েছে। তিনি প্রথমে গুরুদাসপুর থানাে নেওয়া হয় এবং পরে নাটোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, হেফাজতে নেওয়া কাজটি একই দিন রাত ১০টার দিকে গুরুদাসপুর বাজার সংলগ্ন একটি ভাড়া বাড়ি থেকে করা হয়েছে, যা প্রথম আলোর বর্ণনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উভয়ই শাকিল ইসলামের মৃত্যু সম্পর্কে অতিরিক্ত বিবরণ দেয়: বাংলা ট্রিবিউন জানায় শাকিলের বয়স ২৮ বছর এবং তিনি ১৪ অক্টোবর রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুদাসপুরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন, পরে রাজশাহী ও ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হয়ে ২৬ অক্টোবর রাত ৮:৩০ টায় মৃত্যুবরণ করেন।

মাধ্যমগুলোর মধ্যে সংসদ সদস্যের নামের বানানে পার্থক্য রয়েছে: চ্যানেল ২৪ "আজিজুর রহমান আজিজ" ব্যবহার করেছে, যেখানে প্রথম আলো "আবদুল আজিজ" উল্লেখ করেছে। উভয়ই নাটোর‑৪ (গুরুদাসপুর‑বড়াইগ্রাম) আসনের প্রতিনিধিকে নির্দেশ করে।

প্রথম আলোর অতিরিক্ত তথ্য অনুযায়ী, শাকিলের বাবা রবিউল করিম ১৯ অক্টোবর শিকারের ৮‑১০ জনকে অপরাধী হিসেবে নামিয়ে গুরুদাসপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এছাড়া, এমপি আজিজের ছোট ছেলে মাহমুদুজ্জামানকে পূর্বে বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং নুরুজ্জামানকে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পুলিশ এখনো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং অতিরিক্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।