প্রথম আলো অনুসারে, গতকাল (২০ অক্টোবর) রাতের প্রায় চারটায় নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সামনে নাটোর‑পাবনা মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস এবং একটি বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটেছে। প্রথম আলোর তথ্য অনুযায়ী, এতে অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছে। তবে সমকালের প্রতিবেদন একই দুর্ঘটনায় মৃতসংখ্যা ১৪ এবং আহত ৩০ উল্লেখ করেছে, ফলে সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পরিবারিক ভুক্তভোগী
রুবিনা আক্তার (৩৬), যিনি পূবালী ব্যাংকের সুবিদখালি শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, স্বামী শহিদুল ইসলাম (৪০) এবং আট বছর বয়সী মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮) সহ ছুটিতে যাত্রা করেছিলেন। বাসে চড়ার সময় স্বামী শহিদুলের সঙ্গে যোগদান করেন। সংঘর্ষে শহিদুল ও তাছফিয়া প্রাণ হারিয়ে যান; রুবিনা ও তার দশ বছর বয়সী ছেলে লাবিব হোসেন (১০) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। রুবিনার ভাই শহিদুর রহমান, ইস্টার্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা, জানান যে পরিবারটি পটুয়াখালি থেকে রওনা হয়েছিল এবং গন্তব্য ছিল রাজশাহী।
শরীয়তপুরের ব্যবসায়ী গোষ্ঠী
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বসবাসকারী পাঁচজন ব্যবসায়ীও একই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। প্রথম আলোর তালিকায় জুয়েল মাদবর (৪০), সালাল মোল্যা (৪৫), সোহাগ শিকদার (৩০), আবদুস সামাদ ফকির (৭০) এবং শাহিন ব্যাপারী (২৫) অন্তর্ভুক্ত। সমকালের তথ্য অনুযায়ী সামাদ ফকিরের বয়স ৬৫ এবং শাহিন ব্যাপারীর বয়স ৩০। তারা রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুরে কৃষিপণ্য ও বীজ কেনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন।
দুর্ঘটনা ঘটার পর, ব্যবসায়ীদের পরিবার ও স্থানীয় বণিক সমিতি সদস্যরা টানা রাতের মধ্যেই কাজীরহাট বাজারের মাঠে সমবেত হয়ে জানাজা পরিচালনা করেন; সমকাল অনুযায়ী এতে পাঁচশো অধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
বিবাদিত তথ্য
প্রথম আলো অনুসারে দুর্ঘটনার সময় ভোর চারটায় ঘটেছে, তবে একই প্রতিবেদনে “সকাল দশটায়” ঘটেছে বলে উল্লেখ আছে। মৃতসংখ্যা ও আহতের সংখ্যা, পাশাপাশি কিছু ভুক্তভোগীর বয়স সম্পর্কেও দুই সূত্রে পার্থক্য রয়েছে। এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত প্রকাশের আগে নিশ্চিত করা দরকার।
এই তথ্যগুলো প্রথম আলো থেকে নেওয়া হয়েছে; সমকাল থেকে অতিরিক্ত বিবরণ ও জানাজা সংক্রান্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।






