পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তিস্তা ব্যারেজ এলাকা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে দেশে-বিদেশে নানা আলোচনার মধ্যে অপশক্তি যদি ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করে তবে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না; জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনের মতে, প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি (সম্ভাব্যতা যাচাই) প্রতিবেদন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আগামী সপ্তাহে স্বাক্ষর করলে পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
ফিজিবিলিটি স্টাডি চূড়ান্ত হওয়ার পর, উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হবে; এই ধাপে প্রায় ৯ থেকে ১০ মাস সময় লাগবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এরপর দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ইনডিপেনডেন্ট টিভি এবং দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনেও একই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে; উভয়ই উল্লেখ করেছে যে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
এই তথ্যগুলো ঢাকা পোস্টের মূল প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের (ইনডিপেনডেন্ট টিভি, দেশ রূপান্তর) কভারেজের ভিত্তিতে সংকলিত।






