ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ৩০ বছর বয়সী ব্যবসায়ী সাথী আক্তার, যিনি স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকার খাদিজা প্যালেস মার্কেটে ‘সাথী বিউটি পারলার’ পরিচালনা করেন, গত শুক্রবার দু'টি ফেসবুক লাইভে তার দোকানে বৈদ্যুতিক তার চুরির অভিযোগ তুলে ‘বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী’ বলে মন্তব্য করেন।
ভিডিওটি স্থানীয় বিএনপি কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যারা তার দোকান ঘেরাও করে বিচার দাবি করেন। এরপর রাত আটটায় পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে গিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫১ অনুযায়ী গ্রেফতার করে, এবং পরের দিন আদালতে পাঠায়।
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক পি.এস.এম. মোস্তাছিনুর রহমানের মতে, গত সোমবার সাথী আক্তারের পক্ষে কোনো আইনজীবী জামিনের আবেদন করেননি এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদুল ইসলামের আদালতে শুনানির পর তাকে জেলখানায় পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। তিনি আজকের শুনানিতে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, না করা হলে কী হবে তা অজানা।
বিবিন্ন মিডিয়ার প্রতিবেদন
ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে একই তথ্য উল্লেখ করে, আজ (২৮ অক্টোবর) আদালতে সাথী আক্তারের উপস্থিতি এবং সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা, চ্যানেল ২৪ এবং সমকালের রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে বুধবার দুপুর ১২:৩০ টার দিকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদুল ইসলাম ৫০০ টাকার বন্ডে নিজ জিম্মায় জামিন প্রদান করে, ফলে তিনি মুক্ত হন। উল্লিখিত আদালত পরিদর্শক পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমানও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধিকন্তু, ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, তিনি ভিডিওটি চারবার পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তাতে কোনো সরকারবিরোধী মন্তব্য না পেয়ে এটিকে বাকস্বাধীনতার অধীনে রাখার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর কিছু ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার কথোপকথনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা গ্রেফতার ও ধারা ১৫১ এর প্রয়োগের কারণ হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপরের তথ্যগুলো প্রথম আলো এবং অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।






