ইত্তেফাক অনুযায়ী, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে মশিউর রহমানের স্মরণসভায় বক্তব্য রেখে বলেন, দলের স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের উপরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, নেতৃত্বের স্থান তৈরি করতে হলে কার্যকারিতা, ইতিবাচক রাজনীতি, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক অবদানকে প্রধান বিবেচ্য বিষয় হিসেবে নিতে হবে।

মশিউর রহমানের অবদানকে স্মরণ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ঝিনাইদহে তিনি যে রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন তা জেলার গণ্ডি পেরিয়ে খুলনা বিভাগে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

তিনি বলেন, গত নির্বাচনে ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে তিনটি আসন পুনরুদ্ধার করতে না পারা বেদনাদায়ক এবং মশিউর রহমান জীবিত থাকলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।

আইনমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রাখতে একক ব্যক্তির ওপর দায় চাপানো ঠিক নয়; বরং সম্মিলিত সিদ্ধান্তহীনতা ও ভুল সিদ্ধান্তের ফল।

তিনি বর্তমান মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, তারা ব্যক্তিগত নির্বাচনে অংশগ্রহণের চেয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

উন্নয়ন বিষয়ে, আইনমন্ত্রী জানান, ঝিনাইদহ সদর থেকে মাগুরা পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং সরকার এটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করছে।

এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর পরিবর্তে পদ্মা ও যমুনা নদীর ওপর ওয়াই-আকৃতির সেতু নির্মাণের সমীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহসম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান, এবং সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক সহসম্পাদক মনির খানসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।