সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ইউনিয়নে নওধার সেভেন সাইড ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা বন্ধের অভিযোগে স্থানীয় বাসি ও কিছু বিএনপি নেতা-কর্মী মানববন্ধন গঠন করেন। প্রথম আলো অনুসারে, মানববন্ধনটি গতকাল (রবিবার) দুপুর ১১ টার দিকে পাইকুরাটি ইউনিয়নের নওধার গ্রামের পূর্ব পাশের সড়কে অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযোগের মূল কারণ হল ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দাওয়াত না দেওয়া, তবে বিএনপি নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মানববন্ধনে শতাধিক অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে গ্রাম্য মাতব্বর সহিব উদ্দিন, ফখর উদ্দিন, বিএনপি কর্মী নূরুল আমিন, ছাত্রদল কর্মী মোহাম্মদ আলী ও কলেজছাত্র বায়েজীদ মিয়া।

স্থানীয় তরুণদের উদ্যোগে ১৬ অক্টোবর নওধার দক্ষিণপাড়া গ্রামের মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়, যা মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাইকুরাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি অনিক তালুকদারসহ কয়েকজন ছাত্রদল নেতা উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে কিছু লোকের মতে, টুর্নামেন্টটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ফাইনাল খেলায় সংঘর্ষের সম্ভাবনা আছে বলে প্রচার করা হয়।

টুর্নামেন্টের আয়োজক চারজন যুবক প্রথম আলোকে জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের থানায় ডাকা হয়। থানায় পৌঁছে ধর্মপাশা থানা এএসআই নূরুল আমিন তাদেরকে জানিয়ে দেন যে তাদের নামে লিখিত অভিযোগ আছে এবং টুর্নামেন্টটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকায় ফাইনাল খেলা হবে না। তবে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুলিশকে অনুমতি দিতে বললে খেলা হতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

আয়োজক মোহাম্মদ আলী বলেন, টুর্নামেন্টে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বা তার অঙ্গসংগঠন জড়িত নয় এবং দাওয়াত না পেয়ে ফাইনাল বন্ধের অভিযোগটি অপপ্রচার। এদিকে ধর্মপাশা থানার এএসআই নূরুল আমিন বলেন, তিনি টুর্নামেন্টের ফাইনাল বন্ধের জন্য কাউকে বাধা দেননি এবং টুর্নামেন্টের নিয়ন্ত্রণে থাকা দল সম্পর্কে কোনো মন্তব্য মিথ্যা।

পাইকুরাটি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মো. মনবুল জানান, তিনি জানেন না খেলায় কোনো রাজনীতি জড়িত কিনা, তবে ফাইনাল খেলা যেন হয় সেটিই তার দাবি।

উপরের তথ্যগুলো প্রথম আলো থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।