প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ৭ নভেম্বর (শনিবার) দুপুরে জেলা বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, "আজ যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন, তখন সেই একাত্তরের রাজাকার এবং চব্বিশের রাজাকার মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে। সরকারকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তারা যদি বিএনপি সরকারকে ব্যর্থ করতে যায় তাহলে তাদেরকে ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।"

রাশেদ খাঁন আরও উল্লেখ করেন, "শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর ভারত চেষ্টা করছিল এই দেশে আরেকটি সেনা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিতে। ৩ নভেম্বর সেই চেষ্টা সফল হয়েছিল। কিন্তু ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জনগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল।" তিনি যুক্তি দেন যে, "বিএনপি জোরপূর্বক ক্ষমতায় বসেছিল" এমন দাবি ইতিহাসকে বিকৃত করে।

সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ বহু নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। র্যালিটি উজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ থেকে শুরু হয়ে স্বাধীনতা চত্বরে শেষ হয়।

এর আগে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের পানি উন্নয়ন বোর্ড চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করা হয়, যা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে শেষ হয়। পরে রাশেদ খাঁন, জেলা পরিষদ প্রশাসক, জেলা বিএনপি সভাপতি এম এ মজিদ, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনসহ বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা সম্মেলন কক্ষে আলোচনা করেন।

রাশেদ খাঁন ভবিষ্যৎ স্থানীয় নির্বাচনের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, "এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাত্তরের ও চব্বিশের রাজাকার চক্রান্ত করার অপচেষ্টা চলছে; আপনাদের রাজপথে উপস্থিত থেকে তাদের চক্রান্ত মোকাবিলা করতে হবে।"

এই তথ্য বাংলা ট্রিবিউন অনুসারে প্রকাশিত।