আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পেছনে ৭ নভেম্বরের চেতনা কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা হলো মুক্তি, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেতনা এবং এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই দেশের মানুষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি। চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তি পান এবং তার হাত ধরেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ তৈরি হয়। রিজভী বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লবে দেশ প্রকৃত স্বাধীনতা-সার্ভভৌমত্বের অঙ্গীকার খুঁজে পায় এবং এই চেতনায় জাতি বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে আলোকিত বাংলাদেশ ও চ্যানেল আইয়ের তথ্যানুযায়ী, একই দিনে রাজধানীর বনানীতে আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন যে জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না এবং তিনি উল্লেখ করেন যে ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের আর ২০২৪ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা রক্ষার। এছাড়া চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

অন্যদিকে, আলোকিত বাংলাদেশের খবরে আরও বলা হয়, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পাওয়া নির্দেশনায় ঘাতকরা দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে ব্যাহত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, কোথাও কোথাও গলির ভেতর ককটেল-বোমা ফোটানো হচ্ছে এবং পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে টাকা-পয়সা দিয়ে এ দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে জনগণ উপযুক্তভাবেই তাদের প্রতিহত করবে এবং সরকার এ ব্যাপারে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি। এ সময় ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সব অগণতান্ত্রিক ও দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী শক্তি প্রস্তুত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।