সমকালের বিশেষ আয়োজনে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য আলোচনা করা হয়েছে। লেখক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল লিখেছেন, ৭ নভেম্বর নিয়ে দেড় যুগ ধরে নানা অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।
নিবন্ধ অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালের ২৫ আগস্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন। পরবর্তীতে খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ২ নভেম্বর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বিদ্রোহ শুরু হয় এবং জিয়াউর রহমান বন্দি করা হয়। ৭ নভেম্বর সকালে সৈনিকরা জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে এবং জনতাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের পক্ষে দাঁড়ায়।
লেখক দাবি করেছেন, ৭ নভেম্বর পরবর্তী বাংলাদেশ একদলীয় বাকশাল শাসন থেকে মুক্তি পায়, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে পায়, 'বাংলাদেশি' জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুক্তবাজার অর্থনীতি आरম্ভ হয়। এছাড়া বাংলাদেশ ওআইসিতে সম্মানজনক অবস্থান পায় এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়।
তবে নিবন্ধে ৭ নভেম্বর রাতে জাসদ সমর্থিত সৈনিকদের হাতে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। লেখক এই দিনকে স্বাধীনতা যুদ্ধের সমকক্ষ একটি 'অমর বীরত্বগাথা' বলে অভিহিত করেছেন।






