ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী, ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচন শেষ হলেও, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।

নির্বাচনের ৮৫ শতাংশ ভোট গণনার পর দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট সামান্য এগিয়ে রয়েছে, তবে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেনি।

হিজবুল্লাহর নেতা নাইম কাসেম বলেছেন, "ইসরায়েল কে শাসন করছে তা নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। তবে এটি স্পষ্ট যে, তারা তাদের দখলদারিত্ব চালিয়ে যেতে পারবে না এবং আমাদের ভূখণ্ড থেকে সরে যেতেই হবে।"

কাসেম আরও বলেন, "প্রতিরোধ সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে... এবং আমাদের ওপর ও লেবাননের ওপর চালানো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাঁড়াব। যতক্ষণ পর্যন্ত দখলদারিত্ব ও আগ্রাসন বজায় থাকবে, ততক্ষণ হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে আলোচনার কোনো অবকাশ নেই।"

লেবাননের রাজনীতিতে এক সময়ের অত্যন্ত প্রভাবশালী এই গোষ্ঠীটি গত দু’বছরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দুটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

গত জুন মাসে লেবানন ও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ একটি কাঠামো চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল, যেখানে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ, দখলকৃত অঞ্চল থেকে ইসরায়েলের পর্যায়ক্রমে সরে আসা এবং ওই এলাকায় লেবানিজ সেনাবাহিনী মোতায়েনের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তবে ইসরায়েল এখনো তাদের দখলকৃত অঞ্চল ও এর আশপাশে বিচ্ছিন্নভাবে হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে, এবং হিজবুল্লাহও নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।