আজকের পত্রিকা অনুসারে, ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ নামের একটি সংগঠন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যেখানে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলায় শনিবার অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধের আহ্বান জানানো হয়েছে। সংগঠনটি ফেসবুক পোস্টে সাজেক (উজো বাজার) এলাকায় বাসিন্দাদের ওপর হামলা, লাঠিপেটা ও গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছে।
অবরোধের কারণ ও পূর্বের ঘটনা
স্থানীয় সূত্রের মতে, এ ধরনের অস্থায়ী অবরোধ পূর্বেও ঘটেছে এবং তা প্রায়শই ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর ছদ্মবেশী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে ইউপিডিএফের একজন সদস্য সংগঠনের সঙ্গে কোনো সমর্থন নেই বলে অস্বীকার করেছেন।
গঙ্গারাম বাজারে গুলিবর্ষণ
ইন্টার‑ফোর্স পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানিয়েছে যে, রাঙামাটির সাজেক গঙ্গারাম বাজারে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ হয়েছে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সমন্বিত প্রচেষ্টায় সড়কে আটকে থাকা প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে রওনা করা হয়েছে।
অন্যান্য দাবি ও অতিরিক্ত অবরোধের আহ্বান
প্রথম আলো অনুসারে, তিনটি দাবি পূরণ না হওয়ার পর, সাজেক গণ‑অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য খাগড়াছড়ি‑সাজেক পর্যটন সড়কের অবরোধের ডাক দিয়েছে। তাদের দাবির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস‑সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়াও অন্তর্ভুক্ত, যদিও জেএসএস এই দাবিকে অস্বীকার করেছে।
অন্যান্য স্থানীয় ঘটনাবলী
রাঙামাটির বরকল উপজেলায় কাপ্তাই হ্রদ থেকে মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন নামের এক জেলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে; দেহটি শনিবার বিকেলে সুবলং ইউনিয়নের কুরকুটিছড়ি এলাকায় পাওয়া যায়। এছাড়া, কাপ্তাই উপজেলার ৩ নম্বর চিৎমরম ইউনিয়নের চিৎমরম বড়পাড়া এলাকায় ৫০ বছর বয়সী মংখ্যাইচিং মারমা (স্থানীয়ভাবে ‘মাস্টার’ নামে পরিচিত) ১২ এপ্রিল বন্যহাতির আক্রমণে নিহত হয়েছেন।
এই সব তথ্য আজকের পত্রিকা, প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন এবং চ্যানেল আই-র প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






