রাঙামাটির পুলিশ সুপার আবদুর রকিব বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে জানান, সাজেকের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইনডিপেনডেন্ট টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১১ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত 'সাজেক জনহিতে রক্ষা কমিটি' ও 'সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন' সমবেতভাবে অবরোধ ঘোষণা করেছিল। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ শিথিল রাখা হয়েছিল, কিন্তু ২১ অক্টোবর পুনরায় অবরোধ ঘোষণায় পর্যটকরা আটকে পড়েন।
পুলিশ সুপার বলেন, সকাল ৯টায় সেনা ও পুলিশ প্রহরায় পর্যটকদের সাজেক থেকে রওনা করা হয়। সকাল ১০টার দিকে উজানেরবাজারে পৌঁছালে অবরোধকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কথা মানতে অস্বীকার করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ শুরু করে, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আহত হন। পরে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সরকারি জানমাল রক্ষার্থে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও প্রতিকার গুলি করে। দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
দूसरी ओर, ডেইলি অবজার্ভারের প্রতিবেদনে ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এর হवाले জানানো হয়েছে, সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সকাল ১১টা প্রায় যুক্ত জনতান্ত্রিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর সশস্ত্র সদস্যরা ৩০-৪০ রাউন্ড গুলি চালিয়ে পর্যটক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে। এই ঘটনায় প্রায় ৩ হাজার পর্যটক আটকে পড়েন, যাদের সেনা ও পুলিশ নিরাপদে উদ্ধার করেছে। আইএসপিআর জানিয়েছে, কোনো হতাহতের খবর নেই। উভয় উৎসের সময়, স্থান ও আক্রমণকারীর পরিচয়ে পার্থক্য রয়েছে।






