সুগন্ধি চালের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি

ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী, দেশের সুগন্ধি চালের উৎপাদন এলাকা ক্রমশ কমে আসায় বাজারে ঘাটতি ও দাম বেড়েছে।

সরকারের উদ্যোগ

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, সরকার সুগন্ধি চাল উৎপাদন এলাকায় কৃষকদের প্রণোদনা দিয়ে উৎপাদন বাড়াতে চায়।

এর জন্য খাদ্য, কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা সুগন্ধি চাল উৎপাদন এলাকাগুলো পরিদর্শন করবে এবং প্রয়োজনীয় প্রণোদনা দেবে।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য

বারী রোববার ৮ নভেম্বর সচিবালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, সুগন্ধি চালের উৎপাদন এলাকা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে, ফলে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার বর্তমানে সুগন্ধি চাল রপ্তানি করছে না এবং রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।

অতিরিক্ত তথ্য (একাত্তর টিভি)

একাত্তর টিভি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একই দিনে খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানমও একটি ব্রিফিংয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও দাম নির্ধারণ করেছেন।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের খাদ্য মজুদ বর্তমানে ১.৭ মিলিয়ন টন চাল, ০.৩ মিলিয়ন টন সিদ্ধ চাল এবং ০.২ মিলিয়ন টন আতপ চাল, মোট ২.২ মিলিয়ন টন।

আফরোজা খানম আরও জানান, সরকার বেসরকারি খাতকে সেদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দেয়নি এবং আমদানি সম্পূর্ণ সরকারি পর্যায়ে হচ্ছে।

তিনি সুগন্ধি চাল রপ্তানির বিষয়ে বলেন, উৎপাদন কমে যাওয়া এবং দাম বাড়ার কারণে বর্তমানে রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।

দুটি সূত্রে খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর নাম ভিন্ন: ঢাকা পোস্টে মো. আব্দুল বারী উল্লেখ, একাত্তর টিভিতে আফরোজা খানম উল্লেখ।