দীর্ঘদিন ধরে ১২০ থেকে ১২২ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল থাকা ডলারের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। ব্যাংক লেনদেনে প্রতি ডলারের মূল্য ১২৪ টাকা ৩৫ পয়সা, এলসি নিষ্পত্তিতে ১২৪ টাকা ৯০ পয়সার বেশি, খোলাবাজারে ১২৮ টাকারও বেশি।
জ্বালানি ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের আমদানির ব্যয় বাড়ার ফলে ডলার চাহিদা বেড়েছে। প্রথম প্রান্তিকে পেট্রোলিয়াম পণ্যের আমদানি ৪২২ কোটি ডলার, আগের বছরের একই সময়ে ২০৬ কোটি ডলারের কম ছিল, অর্থাৎ ১০৫% এরও বেশি বৃদ্ধি।
প্রথম তিন মাসে ভোগ্যপণ্যের আমদানি ২৬.৫০% বেড়ে ১৪০ কোটি ডলার হয়েছে, আর মূলধনি পণ্যের আমদানি ১৩.৬০% কমেছে। রমজানকে কেন্দ্র করে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল ও ছোলার জন্য নতুন এলসি খোলার প্রস্তুতি চলছে।
প্রবাসী আয় ৮৫৯ কোটি ডলার, ১৩.৩০% বৃদ্ধি, কিন্তু আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধির হার বেশি। প্রথম প্রান্তিকে বাণিজ্য ঘাটতি ৭৪৭ কোটি ডলার, আগের বছরের একই সময়ে ৫৭১ কোটি ডলার ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে, প্রতি ডলার ১২৪.৩০-১২৪.৩৫ টাকায়। রিজার্ভ ৩৪.৮৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ব্যাংকগুলিকে সতর্ক করেছেন, "ডলারের দাম এতটা বাড়ার কথা নয়" এবং বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকারদের কোনো ভূমিকা আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে।
মুদ্রা বিনিময়কারী সমিতির সভাপতি এম এস জামান বলেছেন, "ডলার দাম বেড়েছে, সরবরাহে সামান্য সমস্যা আছে, শিগগিরই স্বাভাবিক হবে।"
বাংলাদেশ ব্যাংক রমজান মাসে ১০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানিতে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে, এলসি খোলার সময় নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
এই তথ্য আজকের পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






