বাংলাদেশের খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে প্রতি ডলার ১২৮ টাকা ২০ পয়সে পৌঁছেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির এলসি নিষ্পত্তির চাপ এবং চাহিদার তুলনায় ডলারের জোগান কম থাকায় কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

আন্তঃব্যাংক বাজারে, বুধবার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ছিল ১২৩ টাকা ৯৮ পয়সা, গড় দামও ১২৩ টাকা ৯৮ পয়সা। সপ্তাহের ব্যবধানে ডলারের দর ০.২৭% বেড়েছে, মাসের ব্যবধানে ০.৭৭% বেড়েছে। ১৯ অগাস্টে গড় দাম ছিল ১২২ টাকা, ৬ আগস্টে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সা।

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক স্পট মার্কেটে ১২৪ টাকা ১০ পয়সে ডলার বিক্রি করেছে, কিনেছে ১২৩ টাকা ১০ পয়সে। বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক ১২৪ টাকা ২৮ পয়সে বিক্রি করেছে, কিনেছে ১২৩ টাকা ২৮ পয়সে।

মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি) প্রতিদিন সকালে ডলারের দর নির্ধারণ করে, এবং বুধবার এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো ১২৮ টাকা দরে ডলার বিক্রি করেছে, কিনেছে ১২৭ টাকা। রাজধানীর মতিঝিল ও গুলশানে ১২৮ টাকা ২০ পয়সে ডলার বিক্রি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান উল্লেখ করেছেন যে, জ্বালানি তেলের ব্যারেল ১১৭ ডলারে উঠেছে এবং এলপিজির দামও বেশি, ফলে আমদানি চাহিদা বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ দিন ৩০ জুন আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলার ১২২ টাকা ৮৫ পয়সে ছিল, এক বছর আগে ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর ছিল ১২১ টাকা ৮৭ পয়সে।