প্রথম আলো ইংরেজির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর ইসিবি চত্বরে নিউ জিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের হাউজিং প্রকল্পে হামলার এক মাস পার হলেও ঘটনার অন্যতম মূল সমন্বয়ক মো. যুবরাজকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রথম আলো ইংরেজি জানায়, যুবরাজ মিরপুরের দুটি অপরাধী দলের সদস্যদের একত্র করে এই হামলার সমন্বয় করেছিলেন। তিনি ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিমের অনুসারী বলে জানা গেছে। হামলার দিন ইসিবি চত্বরের একটি খাবারের দোকানে বসে এই অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। প্রধান অভিযুক্ত শাহরিয়ার মাহমুদ হামলা চালানোর জন্য ইব্রাহিমকে এক কোটি টাকা দিতে রাজি হন এবং ইব্রাহিম লোকজন সংগ্রহ করে যুবরাজকে অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব দেন।

এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, যাদের মধ্যে আটজন জামিনে মুক্ত আছেন। এছাড়া আরও নয়জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ডিবির গুলশান বিভাগের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেহাদ হোসেন প্রথম আলোকে জানান, হামলায় একশর বেশি লোক অংশ নিয়েছিল এবং তাদের অনেককে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে এই হামলা চালানো হয় এবং সে সময় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।

তদন্তে জানা গেছে, হাউজিং প্রকল্পের পাশের ৩৫ কাঠা জমির একটি প্রবেশপথ তৈরি করার জন্য এই হামলা চালানো হয়। অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী ওই জমিতে একটি বহুতল ভবন করার পরিকল্পনা করেছিলেন। হামলা চালিয়ে নিউ জিনি প্রপার্টিজের মূল গেট ভেঙে রাস্তা বের করার চুক্তি হয়েছিল। ওদিকে প্রকল্পের মালিক মো. নাজমুল উদ্দিন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, জামিনে মুক্ত আসামিরা ও বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন এবং তিনি এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।