ইত্তেফাকের অনুসারে, ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেল ৫:১৫ মিনিটে গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক (ইয়াবা) সহ এক নারী ও এক পুরুষকে গ্রেপ্তার করার পর সশস্ত্র মাদক ব্যবসায়ীরা ফাঁড়িতে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা রামদা, হাসুয়াসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র (রামদা, চাপাতি, ছুরি) নিয়ে ফাঁড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আটক দুজনকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ৪০‑৫০ জনের দলকে ঘেরাও করে হামলা চালাতে দেখা যায়।
হামলায় টিএসআই নূরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আশিক নামের দুই পুলিশ সদস্য গুরুতরভাবে আহত হন এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি জয়নাল আবেদীন (ইত্তেফাক) জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশনের দক্ষিণ পাশে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে; এরপর আক্রমণকারীরা ফাঁড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশের ওপর হামলা ও মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত আইনে পৃথক মামলা দাখিলের প্রস্তুতি চলছে।
ইনডিপেনডেন্ট টিভির প্রতিবেদনে একই ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে; সেখানে আঘাতপ্রাপ্তদের নাম এটিএসআই নূরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আশিক একই রকম, তবে ফাঁড়ির ইনচার্জকে এসআই ফারুক হোসেন (SI Faruk Hossain) বলা হয়েছে এবং দুইটি মামলা‑সহ অতিরিক্ত একটি মামলা দাখিলের কথা জানানো হয়েছে।
আজকের পত্রিকায়ও রামদা‑চাপাতি ব্যবহার করে আক্রমণ ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে ফাঁড়ির উপপরিদর্শককে এসআই ফারুক আহমেদ (SI Faruk Ahmed) বলা হয়েছে এবং পুলিশ সদস্যদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
এভাবে, আক্রমণের সময়, আক্রমণকারীর নাম ও ব্যবহার করা অস্ত্রের ধরণ ইত্তেফাকের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তবে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার নাম (জয়নাল আবেদীন বনাম ফারুক আহমেদ/হোসেন) ও মামলার সংখ্যা সম্পর্কে কিছু পার্থক্য রয়েছে।
এই তথ্য ইত্তেফাকের অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।






