আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সরকার মাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরি ও প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার গুণগত মান উন্নতির লক্ষ্যে প্রায় ৫ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিতে এবং ১৫ হাজারের বেশি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ ও সংস্কার করার একটি বড় প্রকল্প প্রস্তাব করেছে।

‘নেক্সটজেন সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রোগ্রাম’ নামক এই প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় আইসিটি ও টেকনোলজি ল্যাব স্থাপন, আধুনিক শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ এবং শ্রেণিকক্ষগুলোকে ‘সক্রিয়’ শ্রেণিকক্ষে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে ৬ হাজার ৫৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয় করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পৃথক খসড়া প্রস্তাব থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব ড. সরদার মো. কেরামত আলী জানিয়েছেন যে, প্রকল্প প্রস্তাবগুলো এখনো অনুমোদনের নানা ধাপে রয়েছে এবং চূড়ান্ত হয়নি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরে ৩ হাজার ৩৯৭ কোটি, মাদ্রাসা ও কারিগরি স্তরে ২ হাজার ৩৭৩ কোটি এবং প্রাথমিক স্তরে ২৮৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে দেশে মোট ৬ লাখ ১০ হাজার ৬০৭ শিক্ষক থাকার কথা বলা হয়েছে, যাদের প্রায় ৮২ শতাংশকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রক্ষা করা হয়েছে।

মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রকল্পে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত হয়। শিক্ষাবিদ মনজুর আহমেদ প্রশিক্ষণ নামমাত্র না হয় এবং সব কার্যক্রম সুস্পষ্ট নীতিমালায় পরিচালিত হয় তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।