ইনডিপেনডেন্ট টিভি অনুসারে, রাজধানীর পিজি হাসপাতালের ৮ম তলা থেকে পড়ে ১৫‑বছরের সামিয়া নুরের (সামিয়া কামারজুরী ইউসুফ আলী) মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি শনিবার দুপুর আড়াইটা দিকে ঘটেছে। সামিয়া দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সামিয়া কামারজুরী ইউসুফ আলী হাই স্কুল এন্ড গার্লস কলেজের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা নুরুন্নবী, গাজীপুর বোর্ডবাজার সাইনবোর্ডের পাশের কলমেশ্বর এলাকায় একটি কনফেকশনারি দোকান চালান। নুরুন্নবী জানান, তার স্ত্রী জরায়ু টিউমারের চিকিৎসার জন্য পাঁচ‑ছয় দিন আগে পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং ২৮ তারিখে অপারেশন নির্ধারিত ছিল। তিনি জানান, সামিয়া বাইরে থেকে এসে ভাত খেয়ে বেডের কাছাকাছি একটি বড় জানালার মতো জায়গায় বসে, নিচের দিকে তাকিয়ে মাথা চোক্কর দিয়ে পড়ে যায়। তিনি উল্লেখ করেন যে, সামিয়ার ঘাড় ও একটি হাত ভেঙে গেছে, কান থেকে রক্ত বের হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে; বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই ঘটনা বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) হাসপাতালের ৮ম তলা থেকে ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আজকের পত্রিকা ও ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা সূত্রে কিশোরীর মা পারুল আক্তার নামের বলা হয়েছে, যিনি জরায়ু টিউমারের জন্য পাঁচ দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এই সূত্রগুলোতে ঘটনাটি শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত ঘটেছে এবং সামিয়া বিকেল পাঁচটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। উভয় সূত্রই জানায় যে মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং শাহবাগ থানায় রিপোর্ট করা হয়েছে।
হাসপাতালের নাম, মায়ের নাম ও ঘটনার সঠিক সময় সম্পর্কে উল্লিখিত সূত্রগুলোতে পার্থক্য রয়েছে; এ বিষয়গুলো প্রকাশের পূর্বে যাচাই করা প্রয়োজন।






